• ৩ মাঘ ১৪৩২, রবিবার ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Arrest 2

কলকাতা

Arrest: ভোটের আগে কলকাতায় অস্ত্র-সহ গ্রেপ্তার দুই

ভোটের কলকাতা মুড়ে ফেলা হয়েছে নিরাপত্তার বলয়ে। এরইমধ্যে তারাতলা থানা এলাকায় নাকা তল্লাশির সময় অস্ত্র-সহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুজনকে। বজবজ থেকে আসার পথে তারাতলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ওই দুজনকে।শনিবার রাত থেকেই শহরের যেসব প্রবেশ ও প্রস্থানের মূল রাস্তাগুলি রয়েছে সেখানে পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়। টানা নাকা চেকিং চলে। শহরের ভিতরে যে গাড়িগুলি ঢুকছে তার প্রত্যেকটিতেই তল্লাশি চালানো হয়। গাড়িতে কে বা কারা আসছেন সবদিকেই নজর ছিল পুলিশের। যাত্রীদের সঙ্গে কোনও রকম বেআইনি সামগ্রী রয়েছে কি না তাও খতিয়ে দেখেন পুলিশ কর্মীরা।সেই তল্লাশি চালানোর সময়ই জিঞ্জিরা বাজারের কাছে একটি বাইক আটক করা হয়। সেই বাইকের দুই সওয়ারিকে প্রথমে আটক করে তল্লাশি চালানো হয়। সেই তল্লাশিতেই ওই দুই যুবকের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপরই কার্তুজ ও আগ্নেয়াস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়। পাশাপাশি যে দুজনকে আটক করা হয়েছিল তাঁদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
কলকাতা

Arrest: পুরভোটের আগে শহরে ভিনদেশি যুবকদের আনাগোনা, আটক ২১, চলছে জোরদার তল্লাশি

পুরভোটের দোরগোড়ায় খাস কলকাতায় পাকড়াও ২১ জন বাংলাদেশি। বিনা নথিতেই কলকাতার আনন্দনগর এলাকায় গা ঢাকা দিয়েছিলেন ওই বাংলাদেশিরা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে, অভিযান চালায় কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। ২১ জন বাংলাদেশিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে, এদের কাছে কোনো বৈধ কাগজপত্র ছিলনা।জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের লখনউ থেকে এটিএসের একটি দল কলকাতায় আসে। তাঁরা কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করে আসামীটিকে খুঁজতে যায় আনন্দপুর এলাকায়। এটিএসের সঙ্গেই ছিল কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দারা। তখনই আনন্দপুর এলাকায় যৌথ অভিযান করতে গিয়ে ওই বাংলাদেশিদের খোঁজ পায় পুলিশ। সন্দেহবশত জিজ্ঞাসাবাদ করতেই আসল তথ্য ফাঁস হয়ে যায়। বৈধ্য নথি ছাড়াই আনন্দপুরে বসবাস করছে। কীজন্য রয়েছে বাংলাদেশিরা খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। এর আগেও এইভাবে জামাত জঙ্গিদের খোঁজ খাস কলকাতায় পেয়েছিল গোয়েন্দারা। এবার আনন্দপুরের ২১ জন বাংলাদেশি পাকড়াও-এর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।উত্তরপ্রদেশ পুলিশের জঙ্গি দমন শাখা এবং কলকাতা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে রবিবার আনন্দপুরের গুলশন কলোনি এলাকা থেকে মাহফুজ়ুর রহমান নামে বছর তিরিশের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। তার বাড়ি বাংলাদেশের মুন্সিগঞ্জ জেলায়। একই সঙ্গে আটক করা হয়েছে সন্দেহভাজন আরও ১৭ জনকে।দিন কয়েক আগে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের জঙ্গি দমন শাখার তরফে মাহফুজুরের সম্পর্কে জানানো হয় লালবাজারকে। এ-ও জানানো হয়, কলকাতায় লুকিয়ে রয়েছে সে। তার পরেই অভিযুক্তের মোবাইল টাওয়ারের অবস্থানের সূত্রে ধরে এ দিন গুলশন কলোনিতে যৌথ অভিযান চালায় উত্তরপ্রদেশ এটিএস এবং কলকাতা পুলিশের একটি দল।তদন্তকারীদের দাবি, একাধিক অপরাধের সঙ্গে যুক্ত মাহফুজুর। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে যাতায়াত ছিল তার। তবে সে কত দিন আগে ভারতে এসেছিল, খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ধৃতের সঙ্গে কোনও জঙ্গি সংগঠনের যোগাযোগ আছে কি না, তা-ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ধৃতকে ট্রানজিট রিমান্ডে উত্তরপ্রদেশে নিয়ে যাওয়া হবে বলে পুলিশ সূত্রের খবর।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২১
কলকাতা

FireArms and Ammunition: মোমিনপুরে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ ধৃত দুই সন্দেহভাজন

কলকাতায় আগ্নেয়াস্ত্র-সহ পাকড়াও দুই সন্দেহভাজন যুবক। রাতের শহরে নাকা চেকিংয়ের জেরেই এই সাফল্য পেল কলকাতা পুলিশ। বুধবার রাতে বিক্রির উদ্দেশ্যেই আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছিল দুই সন্দেহভাজন। মোমিনপুর ক্রসিংয়ের কাছে নাকা চেকিংয়ের সময় হাতেনাতে ধরা পড়ে এক যুবক। নাম শেখ সাদ্দাম হোসেন (১৮)। সে তখন একবালপুরের ফুটপাত দিয়ে যাচ্ছিল।তাকে জেরা করতেই বাবলু আরি (২১) নামক আরও এক যুবকের সন্ধান মেলে। পরে রাতে তাকেও গ্রেপ্তার করে একবালপুর থানার পুলিশ। তাদের কাছ থেকে একটি দেশি পিস্তল ও দুটি তাজা কার্তুজ উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, তারা আগ্নেয়াস্ত্র সরবরাহ করত। কিন্তু কাদের সেই অস্ত্র তারা সরবরাহ করত তা এখনও জানা যায়নি। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।চলতি সপ্তাহেই কলকাতা বন্দর এলাকায় অস্ত্র উদ্ধার কাণ্ডে ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। নান্টি ওরফে বাবলু ঘোষ এবং বিলাল ওরফে শেখ আবুল হোসেন নামে ওই দুই দুষ্কৃতীকে গতরাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

নভেম্বর ১৮, ২০২১
কলকাতা

কলকাতা বিমানবন্দরে উদ্ধার বহুমূল্য তেজস্ক্রিয় পদার্থ

কলকাতা বিমানমন্দরে উদ্ধার বহুমূল্য তেজস্ক্রিয় পদার্থ। যার দাম ৪ হাজার ২৫৮ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। মনে করা হচ্চে, পাথরগুলি শক্তিশালী তেজস্ত্রিয় পদার্থ ক্যালিফোর্নিয়াম। যার এক গ্রামের দাম ১৭ কোটি টাকা।পাথরগুলো দেখতে ধূসর রঙের। কিন্তু অন্ধকারেও খুবই উজ্বল। মোট ৪ টি পাথর উদ্ধার হয়েছে ২ যুবকের কাছ থেকে। সিআইডি জানিয়েছে, এই চারটি পাথরের মোট ওজন মাত্র ২৫০.৫ গ্রাম। উল্লেখ্য, ক্যালিফোর্নিয়াম বিশ্বের অন্যতম দামি তেজস্ক্রিয় পদার্থ। এই পাথর ক্যানসারের চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। এমনকী, বিস্ফোরক চিহ্নিত করে যে যন্ত্র, তাতেও কাজে লাগে ক্যালিফোর্নিয়াম। গ্রেপ্তার ২ যুবকের নাম সাইলান কর্মকার ও অসিত ঘোষ। প্রথমজনের বাড়ি সিঙ্গুরে, দ্বিতীয়জনের বাড়ি পোলবায়। আপাতত তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানার চেষ্টা করা হচ্ছে এই পাথর তারা কোথা থেকে পেল। আপাতত পাথরগুলি বাজেয়াপ্ত করে সেগুলি সত্যিই তেজস্ত্রিয় পদার্থ ক্যালিফোর্নিয়াম কি না, তা জানতে গবেষণাগারে পাঠানো হচ্ছে।

আগস্ট ২৬, ২০২১
রাজ্য

CID: মঙ্গলকোট-কাণ্ডে তদন্তভার সিআইডি-র

মঙ্গলকোটে তৃণমূলের লাখুরিয়া অঞ্চল সভাপতি অসীম দাসকে খুনের ঘটনায় তদন্তভার হাতে নিল সিআইডি।আজই মঙ্গলকোটে ৫ সদস্যের সিআইডির একটি দল তদন্তে যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই ঘটনায় দুই দলীয় কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রসঙ্গত, সোমবার লাখুড়িয়ায় নিজের বাড়ি ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হয়ে খুন হন স্থানীয় তৃণমূল সভাপতি অসীম দাস। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে তাঁকে গুলি করা হয়। তৃণমূল নেতার মৃত্যুতে কার্যত বিজেপির বিরুদ্ধে সুর তোলে শাসক দল। যদিও সেই অভিযোগ বরাবর নস্যাৎ করে আসে গেরুয়া শিবির। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ স্পষ্টই জানান, তৃণমূলের লোকেরাই খুনের ঘটনায় জড়িত। পরবর্তীতে খোদ মৃত নেতার পরিবার দাবি করে, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে রয়েছে তৃণমূলের বি গোষ্ঠী।জানা গিয়েছে, এদিন সিআইডির তদন্তকারীরা মৃতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলবেন। মূলত কাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তা জানবার চেষ্টা করবেন। উল্লেখ্য এর আগেও অসীমবাবুকে আক্রমণ করা হয়েছিল। সেই চেষ্টা বৃথা যায়। সিআইডির দলটি ঘটনাস্থলেও যাবেন।

জুলাই ১৬, ২০২১
কলকাতা

Santragachi Shooting: সাঁতরাগাছিতে গুলি কাণ্ডে খড়গপুরের মাফিয়া যোগ, গ্রেপ্তার ২

হাওড়ার সাঁতরাগাছিতে গত ২৫ জুন রেলকর্মীর বাড়িতে গুলি চালানোর ঘটনায় গ্রেফতার ২ জন। বৃহস্পতিবার দুপুরে এদেরকে হাওড়া আদালতে তোলা হয়। তার আগে ডিডি অফিসে চলে জিজ্ঞাসাবাদ। এই ঘটনায় খড়গপুরের রেল মাফিয়াদের যোগাযোগ থাকার সম্ভবনা রয়েছে বলে তদন্তকারীরা মনে করছে। বুধবার গভীর রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে খড়গপুর থেকে এদের গ্রেপ্তার করা হয়।সাঁতরাগাছি ঝিল সংলগ্ন উত্তর বাঁকসাড়া এলাকার স্যানচ্যুয়ারি ভিউ অ্যাপার্টমেন্টে গত ২৫শে জুন সকাল ৮টা নাগাদ গুলি চলেছিল। সাঁতরাগাছির লোকো ইন্সপেক্টর, রেলকর্মী সুনীল কুমার বেহেরার ফ্ল্যাট লক্ষ্য করে ওই গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছিল। আরও পড়ুনঃ কলকাতায় এবার দুয়ারে পুরসভাপরপর মোট ২ রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছিল। তবে ওই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। তবে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছিল। ঘটনার তদন্ত শুরু করে হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানাতে পারে, মূলত টেন্ডার পাওয়া নিয়ে লড়াই-এর জন্য গুলি চলেছে। তদন্তে উঠে আসে, এই গুলি চালানোর ঘটনায় খড্গপুরের রেল মাফিয়াদের যোগাযোগ থাকতে পারে। পুলিশ জানিয়েছে, টেন্ডারকে কেন্দ্র করে সাঁতরাগাছিতে ক্রমশ খড্গপুরের রেল মাফিয়াদের থাবা বাসানোর চেষ্টা চলছে। এদিন হাওড়া সিটি পুলিশের ডিসি সাউথ প্রতীক্ষা ঝাড়খারিয়া জানিয়েছেন, সাঁতরাগাছি গুলি কাণ্ডের অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই তদন্ত শুরু হয়। তদন্তে উঠে আসে ২ জন অভিযুক্তদের নাম। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বুধবার গভীর রাতে খড়গপুর থেকে এদের গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র। মনে করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া সেই আগ্নেয়াস্ত্র দিয়েই ঘটনার দিন গুলি চালানো হয়েছিল। ডিসি আরও জানিয়েছেন প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, ধৃতেরা একটি গ্যাং এর হয়ে কাজ করতেন। পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে , ধৃতদের নাম কুন্দন শর্মা এবং সুভাষ ঠাকুর। ধৃতেরা দুজনেই খড্গপুরের কুখ্যাত দুষ্কৃতী বলে পুলিশ সূত্রে খবর। ধৃতদের এ দিন হাওড়া আদালতে পেশ করা হলে আদালত ৮ দিনের পুলিশি হেফাজতের র্নিদেশ দিয়েছে।

জুলাই ০৯, ২০২১

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

বাংলাদেশে কী চলছে? হিন্দু হত্যা ও মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তাল ব্রিটিশ পার্লামেন্ট

বাংলাদেশে ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার। প্রকাশ্যে হিন্দুদের খুন করা হচ্ছে, জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে ঘরবাড়ি ও মন্দিরএই অভিযোগ তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হল ব্রিটেনের পার্লামেন্টে। আসন্ন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়েছেন ব্রিটেনের সাংসদ বব ব্ল্যাকম্যান।ব্রিটিশ পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ব্ল্যাকম্যান বলেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই ব্রিটেনের বিদেশ সচিবের কাছে উদ্বেগ জানানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, রাস্তায় হিন্দুদের হত্যা করা হচ্ছে, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে, মন্দিরে হামলা চালানো হচ্ছে। শুধু হিন্দুরাই নন, অন্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুরাও একই ভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তার আগে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টিও গভীর উদ্বেগের বলে মন্তব্য করেন ব্ল্যাকম্যান। তিনি বলেন, জনমত সমীক্ষায় আওয়ামি লিগের প্রায় ৩০ শতাংশ সমর্থন থাকা সত্ত্বেও দলটিকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি, বাংলাদেশের কট্টরপন্থী শক্তিগুলি দেশের সংবিধান বদলে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।বাংলাদেশে নির্বাচন আদৌ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ব্রিটিশ সাংসদ। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটেনের সরকার কী পদক্ষেপ করবে, সে বিষয়ে বিদেশ সচিবের কাছে স্পষ্ট জবাব চান ব্ল্যাকম্যান। উল্লেখ্য, এর আগেও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছিলেন ব্রিটেনের চার জন সাংসদ। তাঁদের বক্তব্য ছিল, একটি বড় রাজনৈতিক দলকে বাদ দিয়ে নির্বাচন হলে তা কখনওই প্রকৃত গণতান্ত্রিক নির্বাচন হতে পারে না।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিন ধরে জ্বলছে বেলডাঙা, অবশেষে লাঠিচার্জ—পুলিশ এতক্ষণ কোথায় ছিল?

টানা দুদিন ধরে অশান্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ, জাতীয় সম্পত্তি ভাঙচুর, রেল অবরোধসব মিলিয়ে পরিস্থিতি কার্যত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছিল, পুলিশ কোথায়? সাংবাদিকদের মারধর করা হয়েছে, রেলগেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে, দোকানপাট বন্ধ হয়ে গিয়েছে, ট্রেন চলাচল স্তব্ধতবু পুলিশের কোনও দৃশ্যমান তৎপরতা দেখা যায়নি বলে অভিযোগ উঠছিল বারবার।অবশেষে প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর সেই নীরবতা ভাঙল। জেলা পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী নামল রাস্তায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে করা হল লাঠিচার্জ। বিক্ষোভকারীদের হঠাতে পুলিশ কড়া পদক্ষেপ নেয়। এই ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠছে, এত দেরিতে কেন পুলিশের অ্যাকশন?এই প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ আগেও এলাকায় ছিল। তবে হঠাৎ করে লাঠিচার্জ করা যায় না। প্রথমে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু পরিস্থিতি যখন আর নিয়ন্ত্রণে আসছিল না, তখন বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ করতে হয়েছে। তাঁর দাবি, বিক্ষোভকারীরা পাথর ছোড়া শুরু করায় পুলিশ কড়া ব্যবস্থা নেয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। যাঁরা লুকিয়ে রয়েছেন, তাঁদেরও শনাক্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।বেলা বাড়লেও এখনও রেল চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। বহু দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। স্টেশন চত্বরে টহল দিচ্ছে আরপিএফ। কয়েকজন দোকানদারের অভিযোগ, আন্দোলনকারীরা দোকানে লুটপাটের চেষ্টা করেছে। যদিও পুলিশ সুপার আশ্বাস দিয়েছেন, পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক এবং পুলিশ পুরোপুরি নজরদারিতে রয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মালদহ থেকে বন্দে ভারত স্লিপার চালু, অনুপ্রবেশ নিয়ে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ মোদীর

বাংলা সফরের প্রথম দিনেই মালদহে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মালদা টাউন স্টেশন থেকে এ দিন দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করেন তিনি। নতুন এই ট্রেন অসমের উদ্দেশে রওনা দেয়। ট্রেন চালু হতেই খুশির হাওয়া মালদহ জুড়ে। উদ্বোধনের পরে ট্রেনের ভিতরে গিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি মালদহে একটি জনসভাও করেন তিনি।সভা থেকে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সরব হন নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, বিশ্বের সব উন্নয়নশীল দেশেই অনুপ্রবেশকারীদের বাইরে বের করে দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকেও অনুপ্রবেশকারীদের এক এক করে বের করে দেওয়া জরুরি। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকলে সেটা সম্ভব নয়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল নেতারাই বছরের পর বছর অনুপ্রবেশকারীদের বাংলায় বসবাস করতে দিচ্ছেন। এতে সাধারণ মানুষের জমি সুরক্ষিত নয়, কাজ ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে, টাকা লুট হচ্ছে এবং মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।মালদহের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজেপি সরকার এলে মালদহের আম নির্ভর অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া হবে। রাজ্যে আরও বেশি কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করা হবে। রেশম চাষিদের জন্য কোটি টাকার প্রকল্প চালু করা হয়েছে। পাট শিল্পকে বাঁচাতে কেন্দ্র সরকার সব রকম চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের আগে যখন তৃণমূল কেন্দ্রের অংশ ছিল, তখন এমএসপি ছিল ২৪০০ টাকা, আর এখন তা বেড়ে সাড়ে ৫ হাজার টাকারও বেশি হয়েছে।বন্যাত্রাণ নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করে মোদী বলেন, বহুবার ত্রাণের টাকা দেওয়া হলেও সেই টাকা সঠিক মানুষের হাতে পৌঁছয়নি। যারা ক্ষতিগ্রস্ত, তারা টাকা পায়নি। তাঁর দাবি, বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন হলে এই সব দুর্নীতি বন্ধ হবে।আম প্রক্রিয়াকরণ শিল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকারের কোনও উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি নদীভাঙন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বৃষ্টি হলেই সব ভেসে যায়, আর বন্যাত্রাণ নিয়ে কী হয়েছে, তা মানুষ নিজেরাই ভালো জানেন।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতা থেকে পাঠানো হচ্ছে RPF-RPSF, বেলডাঙায় হাজির হলেন হুমায়ুন কবীর

শুক্রবারের উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর শনিবারও মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত। স্থানীয় বিধায়ক ও জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। ইতিমধ্যেই কৃষ্ণনগর-লালগোলা রুটের ট্রেন বন্ধ হয়ে গেছে, রেলগেট ভেঙে ফেলা হয়েছে। হুমায়ুন কবীর ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে বচসা করেন।তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ যথেষ্ট সক্রিয় নয়। সক্রিয়তা না বাড়ালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষগুলো আক্রান্ত হচ্ছে। জনরোষ এসে জাতীয় সড়ক (NH)-এর উপর পড়ছে। গতকাল সাত ঘণ্টা রাস্তা বন্ধ ছিল। বিহারে আরও একজন আহত হয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি। কিছু মানুষ প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে। কার নির্দেশে তারা NH অবরোধ করছে তা জানা নেই।আজও সাংবাদিকদের টার্গেট করে মারধর করা হয়েছে। জাতীয় সড়ক পুরোপুরি ধ্বংসের পথে। ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় নেমে বাঁশ হাতে ও ফ্লেক্স-ব্যানার উপরে ফেলে লাথি মারা সহ নানা ধরণের ভাঙচুর চালাচ্ছে। এলাকায় একজনও পুলিশ দেখা যায়নি। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। পরে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জানা গেছে, কলকাতা থেকে RPF ও RPSF পাঠানো হচ্ছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের আগে বড় সিকিউরিটি অ্যালার্ট, বন্দে ভারত স্লিপারকে লক্ষ্য করে ষড়যন্ত্র!

আর হাতে গোনা কয়েক ঘণ্টা, তারপরই মালদহ থেকে ছুটবে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। তবে এই আনন্দের মাঝে নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আরপিএফ। গোপন সূত্রে খবর পাওয়া গেছে, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া ও কালো পতাকা দেখানোর ষড়যন্ত্র চলছে।আজ দুপুরে মালদা টাউন রেলস্টেশন থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উদ্বোধন করবেন ট্রেনের। তার আগে আরপিএফের পক্ষ থেকে কালিয়াচক থানার আইসিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুবোধ কুমার সাউ নামের একজন ব্যক্তি ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়েছেন যে কিছু দুষ্কৃতীরা ট্রেন ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন স্টেশনে হামলার চেষ্টা করতে পারে।আরপিএফের আশঙ্কা অনুযায়ী, জামিরঘাটা, খালতিপুর, চমগ্রাম, শঙ্খপাড়া, নিউ ফরাক্কা, বল্লালপুর, ধুলিয়ান, বাসুদেবপুর ও তিলডাঙা এলাকায় ট্রেন লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হতে পারে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে কালো পতাকা দেখানোর সম্ভাবনাও রয়েছে। তাই কালিয়াচক থানাকে স্টেশনগুলিতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।এর আগে হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস লক্ষ্য করে একাধিকবার পাথর ছোড়ার ঘটনা ঘটেছিল। তখন রেল কর্তৃপক্ষ কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিল। এবার যাতে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে এমন কোনও ঘটনা না ঘটে, তার জন্য আগেভাগেই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা উত্তাল! রেল অবরোধ, ট্রেন আটক, ভাঙচুর ও সাংবাদিকের ওপর হামলা

ভীন রাজ্যে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু ঘিরে উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। শুক্রবারের পর শনিবারও রাস্তায় শত শত মানুষ বিক্ষোভে নেমে আসে। গতকাল সাংবাদিকদের ওপরও হামলা হয়েছে। ট্রেন ও সড়ক অবরোধের ঘটনা লাগাতার চলেছে। শনিবার ফের জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন স্থানীয় জনতা। সড়কে চলমান সব কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রেল গেট ভাঙচুর করা হয়েছে, ফলে লালগোলাকৃষ্ণনগর রুটের ট্রেন চলাচলও বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতি দেখে প্রশ্ন উঠেছে, এভাবেই কি প্রতিবাদ করা উচিত?শুধু শুক্রবার নয়, শনিবারও সাংবাদিকদের টার্গেট করা হয়েছে। ছবিতে দেখা গেছে ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় নেমে বাঁশ হাতে হুড়োহুড়ি করছেন। রাস্তার ধারে থাকা ফ্লেক্স ও ব্যানার উপরে ফেলে লাথি মারা হচ্ছে। এলাকায় কোনও পুলিশকর্মীও দেখা যায়নি। কোথায় গেল পুলিশ, সেটাই এখন প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।গতকাল পরিস্থিতি যখন তপ্ত হয়েছিল, প্রশাসনের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক হয়। কিছু আবেদন মেনে নেওয়া হয় এবং কন্ট্রোল রুম খোলা হয়। তবে তাতে কার্যত পরিস্থিতির কোনও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। শনিবার সকাল থেকেই বেলডাঙায় পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ বিষয়ে কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, রাজ্যে প্রশাসন নেই, তাই এমন হচ্ছে। তার মধ্যে আজ আবার অভিষেক আসছেন। তাই বহরমপুর বাসস্ট্যান্ড বেলা ১১টা থেকে ৪টা অবধি বন্ধ থাকবে। এই সময়ে সাধারণ মানুষের জন্য সব বন্ধ। নেতারাই তো সমাজ-বিরোধী কাজ করছেন। তাহলে বাংলায় আর কী হবে? কোথাও রোড শো, কোথাও ভাঙচুরএর জন্য যাতায়াত বন্ধ। জনপ্রতিনিধি ভাষণ দেবেন বলে সব বন্ধ।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

ছাব্বিশ হাজার চাকরি বাতিলের জটিল মামলা আবার আলোচনায়, দাগি প্রার্থীদের তালিকায় উঠে এল নাম!

কলকাতা হাইকোর্টের একটি উল্লেখযোগ্য রায়ের আলো আবার সমালোচনার কেন্দ্রে এসেছে। ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যারা চাকরি পাননি, তাদের মধ্যে কয়েকজন দাগি প্রার্থী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিলেন। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ২৬ হাজার চাকরি বাতিল হয়। এখন ২০২৫ সালের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এসএসসি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত করেছে ২০১৬ সালের ওয়েটিং লিস্টের দাগি প্রার্থীদের নাম।এই তালিকায় নাম থাকা মাত্রই বিতর্ক শুরু হয়েছে। নন্দীগ্রামের লক্ষ্মী তুঙ্গারের নামও তালিকায় রয়েছে, যিনি ২০১৬ সালে নিয়োগ বৈধতা নিয়ে মামলা করেছিলেন। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছেন, বঞ্চিত প্রার্থীর নামে মামলা হয়েছে, যারা লড়েছেন তাঁদের নাম এখন দাগি তালিকায়। এটা একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়ার অংশ। অনেক চূড়া এখনও প্রকাশ পায়নি। তিনি আরও বলেন, নিয়োগ আটকানোর চেষ্টা অনেকবার হয়েছে। তবে যোগ্য শিক্ষকের নিয়োগ বাধ্যতামূলক। তবে এই প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের ষড়যন্ত্র ছিল কি না, তা কিছুটা প্রকাশ পেয়েছে।চাকরিহারা রাকেশ আলম বলেন, যখন তালিকা প্রকাশিত হলো, তখন স্পষ্ট হলো এই প্যানেল রাজনৈতিক প্রভাবের ফলে তৈরি। আমরা যোগ্য শিক্ষকদের পক্ষে, কোনও রাজনৈতিক পক্ষ নই। ওএমআর মিসম্যাচের অভিযোগে দাগিদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে অযোগ্য প্রার্থীরাও উঠে এসেছে।এসএসসি সূত্রে জানা যায়, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একজনও দাগি প্রার্থী থাকবেন না, সেই নির্দেশনা মেনে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু প্রকাশিত তালিকা ভোটের আগে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

বিএলও-র ইস্তফা ঝড়! এসআইআর প্রক্রিয়া বিপর্যয়ের পথে? নির্বাচনী কমিশনের পদক্ষেপ প্রশ্নের মুখে

শেষ পর্যায়ে এসআইআর প্রক্রিয়া। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তার আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিএলও-দের অসন্তোষ ক্রমশ বেড়েছে। অতিরিক্ত কাজের চাপের অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন বিএলও-রা। এবার অনেকেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে ইস্তফা দিতে শুরু করেছেন।রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিএলও-রা গণইস্তফা দিচ্ছেন। শনিবারই উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা ব্লকে প্রায় ২০০ জন বিএলও অনির্দিষ্টকালের জন্য কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, একের পর এক নির্দেশিকা ও ম Thomson-এ কাজ করতে গিয়ে তাঁরা হয়রানি ও হেনস্থার মুখে পড়ছেন। বিডিও দফতরের সামনে গেট আটকে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।বিএলও-দের অসন্তোষ জেলায় জেলায় বাড়ছে। স্বরূপনগরে গতকাল ৫৩ জন বিএলও একসঙ্গে ইস্তফা দিয়েছেন। সূত্রের খবর, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজারের বেশি বিএলও ইস্তফার আবেদন জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন কি পদক্ষেপ নেবে, তা এখনই প্রশ্নের মুখে। রাজনৈতিক কারণে কি এই ইস্তফার ঘটনা ঘটছে, তা নিয়েও জোর আলোচনা চলছে।এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিএলও-দের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত ৪ নভেম্বর থেকে তারা এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু করেছিলেন। কাজের চাপ এবং দীর্ঘ দায়িত্বের কারণে একাধিক বিএলও মৃত্যু বা আত্মহত্যার অভিযোগও উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে কমিশনের পদক্ষেপই এখন সবার নজর কেড়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal